Uncategorized

আজ অবধি একটাও পুজোর প্রেম হল না জানেন… মিমি চক্রবর্তী

এ বার শাড়ি কিনেছে আমার জন্য। এত বড় হয়ে গিয়েছি, তবু ছোটমামা এখনও গিফট দেয়। আর মা তো অলরেডি তিনটে শাড়ি দিয়েছে। নিজেরও কিছু শাড়ি কিনেছে। আমি পুজোতে ইন্ডিয়ান পরি সব সময়। চার-পাঁচদিন পরার মতো ড্রেস চলে এসেছে ভেবেই রিল্যাক্সড লাগছে।

এখন এত মেকআপ, ড্রেস, সাজগোজ নিয়ে মাথা ঘামাই কিন্তু ছোটবেলায় একদম সাজতাম না। সাজ তো দূরের কথা বাড়ি থেকেই বেরোতাম না। কী হত জানেন, বছরে একমাত্র পুজোর সময়ই জলপাইগুড়ির বাড়িতে আমরা ছ’জন কাজিন একসঙ্গে হতাম। গান গাইতাম, সারা বাড়িটা মাতিয়ে রাখতাম। আমি ছোট থেকেই খুব ঘরকুনো ছিলাম। ঘরেই থাকতাম। প্যান্ডেল অবধি যেতাম না। অনেক টালবাহানার পর রাত্রিবেলা ঠাকুর দেখতে যেতাম সবাই মিলে। ওই ওয়েদারটা, ওই সবার সঙ্গে থাকা, মামা মামি, দিদা, ঠাকুর্দা, মাসি— ওই ফিলিংটা…। এখন খুব মনে হয় ওটা যদি ফিরে পেতাম আবার। আমি সারা জীবন ওই ফিলিংটা মিস করব।

 

Mimi Chakraborty

জানেন, আজ অবধি একটাও পুজোর প্রেম হল না জানেন। অনেকেই এর কারণটা জিজ্ঞেস করেন আমাকে। জানিই না কেন! আমি আসলে ছোটবেলায় খুব মারকুটে ছিলাম। খুব ডাকাবুকো ছিলাম তো। তাই বোধহয় ছেলেরা ভয় পেত। আর আমার পরিবারকে ওখানে সকলে চেনে। লাইক, ও বাবা! ও বাড়ির মেয়ে! তাহলে আর তাকাবো না, মেরেই ফেলবে হয়তো। এ রকম টাইপের ছিল। আমার দিদির তো দিব্যি পুজোর প্রেম। কোনও একটা পুজো থেকেই ওর প্রেমের শুরু। এখন তো বিয়ে করে জমিয়ে সংসার করছে।

 

MIMI

এ বারের পুজোর এখনও আলাদা কোনও প্ল্যান নেই। কলকাতাতেই থাকব হয়তো। বাবা-মা সাধারণত কলকাতায় থাকে এই সময়টা। কারণ পুজোয় একা থাকতে হলে আমি খুব ডিপ্রেসড হয়ে যাই। পুজোর সময় তো প্রশ্নই ওঠে না। বস, বছরে চারটে দিন পুজো। মাটন কষা, লুচি, আলুরদম না হলে আর পুজো হল কোথায়?

Source

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *